মো. আব্দুর রহিম, ফেনী জেলা প্রতিনিধিঃ ২০২৬ সালে বিএনপি সরকার গঠনের পর সুবিধাবাদীদের ভিড়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন ত্যাগী নেতাকর্মীরা এমন অভিযোগ উঠেছে। দলের অভ্যন্তরে দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ, অসন্তোষ ও অবমূল্যায়নের অভিযোগ দিনদিন বাড়ছে। মাঠ পর্যায়ে দলের জন্য যারা বছরের পর বছর হামলা-মামলা ও নানামুখী প্রতিকূলতা সহ্য করে রাজপথে সক্রিয় ছিলেন, বর্তমানে দলের ভেতরে ‘হাইব্রিড’ ও ভাসমান নেতাকর্মীদের একের পর এক ষড়যন্ত্রে তারা কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থাকা বিএনপির একাধিক নেতাকর্মী জানান, সরকার গঠনের পর সোনাগাজীতে বিএনপির বিভিন্ন স্তরে বর্তমানে ‘হাইব্রিডরা’ এগিয়ে থাকায় পরীক্ষিত ও ত্যাগীরা পিছিয়ে পড়েছেন। যার কারণে নেতাকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ ও অস্বস্তি জোরালো হচ্ছে।
গত ১৭ বছর বিএনপির আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা অনেক নেতাকর্মীর অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর সোনাগাজীতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে এমন কিছু ব্যক্তি প্রভাবশালী হয়ে উঠছেন, যারা দুর্দিনে মাঠে না থেকে গোপনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে কোটি কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন। তারাই এখন বিএনপির কর্ণধার হয়ে উঠেছেন বলে অভিযোগ তাদের।
অভিযোগ রয়েছে, বিএনপির সুসময়ে এসে তারা সক্রিয় হয়ে সাংগঠনিক পদ, টেন্ডারবাজিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তারের কেন্দ্রবিন্দুতে জায়গা করে নিয়েছেন। ফলে ত্যাগী ও পরীক্ষিত কর্মীদের বড় একটি অংশ কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে থাকা কর্মীদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। বরং একের পর এক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ত্যাগীদের বহিষ্কার করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘ তিন দশক ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার পর রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমাম হোসেন প্রবীর।
তিনি সোনাগাজী উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি এবং সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বহু হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন। রাজনীতি করতে গিয়ে হারিয়েছেন আপন ভাইকেও।
১৯৯৬ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের মিথ্যা মামলার আসামি হয়ে বাড়িঘর ও পরিবার-পরিজন ছেড়ে দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন এই যুবদল নেতা। এর মাঝে ১৯৯৭ ও ১৯৯৯ সালে দুইবার কারাবরণ করেন তিনি। ২০০১ সালে বেশ কয়েকবার প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হন।
আওয়ামী লীগের শাসনামল থেকে শুরু করে ওয়ান-ইলেভেনের সময় পর্যন্ত তাকে ৫২টি মিথ্যা মামলার আসামি করে গ্রেপ্তার করা হয় এবং দীর্ঘ সময় কারাবন্দী থাকতে হয়েছে এমনটাই দাবি করেছেন ইমাম হোসেন প্রবীর।
২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন সন্ত্রাসীরা যুবদল নেতা প্রবীরের বাড়িঘরে আগুন দেয় এবং তার মা ও সন্তানকে মারধর করে হাত-পা ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ করেন তিনি। সেই থেকেই গ্রামের বাড়ি ছাড়া তাদের পুরো পরিবার।
২০১৪ সালের মার্চ মাসে ফেনীর ধলিয়ার বালুয়া চৌমুহনীতে যুবদল নেতা প্রবীরের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় তার হাত-পা ভেঙে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয় এবং তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় মৃত ভেবে ফেলে চলে যায় হামলাকারীরা এমন দাবি তার।
পরবর্তীতে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতাল ও মিরপুর সেলিনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার পুরো শরীরে ৯৯টি সেলাই করা হয়। এমনকি তার দুই পা ও বাম হাতে সাড়ে ৫ কেজি ওজনের বিভিন্ন প্লেটের অংশ লাগানো হয় বলে জানান তিনি।
পরিবারের শেষ সম্বল জায়গা-জমি বিক্রি করে বিপুল অর্থ ব্যয় করে দীর্ঘ পাঁচ বছর চিকিৎসাধীন ছিলেন এই যুবদল নেতা। আজও স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে পারেননি তিনি। অর্থের অভাবে শরীরে থাকা প্লেটগুলো খুলে উন্নত চিকিৎসা করানোও সম্ভব হয়নি বলে জানান প্রবীর।
হতভাগা এই নেতার গল্প এখানেই শেষ নয়। ২০১৭ সালে বিএনপি করার অপরাধে তার ভাই ইকবাল হোসেন বিপ্লবকে ক্রসফায়ারে দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় এবং তার মাকে একটি মিথ্যা মামলায় এক মাস কারাগারে বন্দী করা হয় এমন অভিযোগ করেছেন তিনি।
অন্যদিকে তার আরেক ভাইকে ঢাকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে অস্ত্র দিয়ে ফাঁসিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় বলেও দাবি করেন প্রবীর। এছাড়াও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে তাদের আর্থিকভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আওয়াল মিন্টুর পথসভায় দাগনভূঞায় প্রতিপক্ষের হামলায়ও মারাত্মকভাবে আহত হন যুবদল নেতা প্রবীর বলে জানান তিনি।
ইমাম হোসেন প্রবীর বলেন, দীর্ঘ ৩০ বছর রাজনীতি করে প্রতিপক্ষের নির্যাতন, হামলা-মামলা, জেল-জুলুম সহ্য করে একেবারে নিঃস্ব ও সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি।
তিনি বলেন, জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর একান্ত সহযোগিতা নিয়ে যারা তার সঙ্গে আঁতাত করে সর্বোচ্চ সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কোটি কোটি টাকা আয় করেছে, সেই প্রতিপক্ষই চট্টগ্রামের ইপিজেড থেকে চুরি হওয়া ট্রাকের বিষয়ে আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অপবাদ ছড়ায়।
তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের ইপিজেড থেকে চুরি হওয়া ট্রাকের যন্ত্রাংশ আমাদের গ্রামের পরিত্যক্ত বাড়ির পুকুরপাড়ে খুলে রাখে একটি কুচক্রী মহল।
প্রবীরের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৬ ফেব্রুয়ারি সদর ইউনিয়নের ছাড়াইতকান্দিতে তাদের পরিত্যক্ত বাড়ির পাশ থেকে ওই ট্রাকের যন্ত্রাংশ চট্টগ্রাম ইপিজেড থানা ও সোনাগাজী মডেল থানা পুলিশ যৌথভাবে উদ্ধার করে।
তিনি বলেন, আমরা ওই বাড়িতে কেউই বসবাস করতাম না। আমরা ফেনীতে ছিলাম। বিগত সরকারের আমলে আমাদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেওয়ায় গত ১৭ বছর ধরে আমাদের পরিবারের কেউই ওই বাড়িতে থাকে না। বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। মূলত আমাকে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত ও হয়রানি করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করেছে।
চট্টগ্রাম ইপিজেড থানার এসআই আল আমিন জানান, চোরাই গাড়ির যন্ত্রাংশগুলো একটি পরিত্যক্ত বাড়ির পুকুরের পাশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ওই বাড়িতে কেউ ছিল না।
গাড়ি চুরির সঙ্গে যুবদল নেতা ইমাম হোসেন প্রবীরের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না জানতে চাইলে এসআই আল আমিন বলেন, গাড়ি চুরির সঙ্গে সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমাম হোসেন প্রবীরের কোনো সম্পৃক্ততা খুঁজে পাওয়া যায়নি।
অথচ এমন অভিযোগ ও অপপ্রচারের সুযোগ কাজে লাগিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে ভুল তথ্য দিয়ে ৩০ বছর ধরে রাজপথে থেকে আন্দোলন-সংগ্রাম, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হওয়া সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব ইমাম হোসেন প্রবীরকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
যুবদল নেতা প্রবীর আরও বলেন, তার বিরুদ্ধে সোনাগাজীর নিজ দলের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের দীর্ঘদিনের ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা এবং তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সোনাগাজীতে বিএনপির অভ্যন্তরীণ আলোচনায় সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে ‘হাইব্রিড’ নামক শব্দ। যারা গত ১৭ বছরের দীর্ঘ সময়ে বিএনপির দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন না, ফটোসেশন করে কিংবা আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করে রাজনৈতিক বলয়ের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর তারা দ্রুত বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন।
তার অভিযোগ, বিএনপির মাঝে ঢুকে পড়া এসব হাইব্রিড নেতা উপজেলার বিভিন্ন ক্ষেত্রে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন এবং বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করেছেন।
সোনাগাজী উপজেলা বিএনপির তৃণমূলের অনেক নেতার অভিযোগ, এসব ব্যক্তির একটি অংশ অর্থনৈতিক সামর্থ্য, সামাজিক প্রভাব কিংবা মন্ত্রীর সঙ্গে ব্যক্তিগত যোগাযোগকে কাজে লাগিয়ে সাংগঠনিক কাঠামোর ভেতরে বড় অবস্থান তৈরি করছেন। ফলে বহু বছরের পরীক্ষিত, হামলা-মামলার শিকার ও ত্যাগী নেতাকর্মীরা নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছেন।
তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গোয়েন্দা সংস্থার মাধ্যমে ফেনীর সোনাগাজীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি মনিটরিং করলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে এবং ত্যাগীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। দলের প্রকৃত নেতাকর্মীরাও আরও উজ্জীবিত হবেন।
উপজেলার দলীয় সূত্র জানায়, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন কমিটিতে অপেক্ষাকৃত নতুন ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের অনুপ্রবেশ ঘটছেই। এর ফলে রাজপথের লড়াকু নেতাকর্মীরা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষায় চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন।
ত্যাগী নেতাদের অভিযোগ, অর্থনৈতিক প্রভাব, লবিং ও চাটুকারিতার ভিড়ে তাদের দীর্ঘদিনের আত্মত্যাগ ও অবদান ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। জ্যেষ্ঠতা ও যোগ্যতার মূল্যায়ন না করে পকেট কমিটি গঠনের কারণে অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও উপদলীয় কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে এবং দলের কঠিন সময়ের সাহসীরা অবমূল্যায়িত হচ্ছেন।
সোনাগাজী পৌরসভার সাবেক মেয়র ও প্রবীণ নেতা, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক জামাল উদ্দিন সেন্টু জানান, দলের কঠিন সময়ে যারা বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, আজ তাদেরই নীতিনির্ধারণী প্রক্রিয়া থেকে দূরে রাখা হচ্ছে। এই অবমূল্যায়ন মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিচ্ছে, যা আগামী দিনের যেকোনো রাজনৈতিক কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
তিনি বলেন, যারা অনেক মামলা-হামলার শিকার হয়েছে, দলের দুঃসময়ে যারা পাশে ছিল না, সেই সব সুবিধাবাদী এখন বিএনপিতে ভালো জায়গায় আছে। ৫ আগস্টের পর বিএনপির ভেতরে যারা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, দলীয় হাইকমান্ডকে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। ত্যাগীদের কোণঠাসা ও বহিষ্কার করা হচ্ছে। পদ স্থগিত করা হচ্ছে। তাদের পদ ফিরিয়ে দিতে হবে। তৃণমূলকে জাগাতে হবে, হাইব্রিডদের ঠেকাতে হবে।
ফেনী সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নিজাম উদ্দিন মাস্টার বলেন, যারা গত ১৭ বছর আন্দোলনে ছিল না, তারা এখন আমাদের ঘরে ঢুকে ঐক্য বিনষ্ট করতে চাইছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বিএনপি আরও শক্তিশালী হবে। আন্দোলনে যাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারাই এখন প্রভাবশালী। আর যারা জীবন বাজি রেখে রাজপথে ছিলেন, তারা অবহেলিত এবং বহিষ্কৃত হচ্ছেন।
সোনাগাজী উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সাধারণ সম্পাদক আফছার হোসেন সুজন বলেন, গত ১৭ বছর আমরা খেয়ে না খেয়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করে বাড়িতে ঘুমাতে পারিনি। বনজঙ্গলে গিয়ে মাথার নিচে ইট দিয়ে রাত কাটাতে হয়েছে। অতীতে যারা আওয়ামী লীগের শাসনামলে মামলা-হামলার ভয়ে আন্দোলন করেনি, এখন সরকার গঠনের পর বাসাবাড়িতে এসি লাগিয়ে ঘুমাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফেনীর রাজনীতি এককভাবে মনিটরিং করলে বুঝতে পারবেন ত্যাগীরা কোথায় আর হাইব্রিডরা কোথায়।
এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমরা দলীয় সোর্সের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে তাকে বহিষ্কার করেছি। আমাদের সোর্সের দেওয়া ভুল তথ্যে কেউ বহিষ্কার হলে কেন্দ্র বিষয়টি পুনরায় বিবেচনায় নেবে।
প্রশ্ন থেকেই যায় দীর্ঘ ৩০ বছরের রাজনৈতিক পথচলা, হামলা-মামলা, কারাবরণ, পরিবারের সদস্য হারানো এবং শরীরে ৯৯টি সেলাই ও সাড়ে ৫ কেজি প্লেটের যন্ত্রণা নিয়েও যদি একজন ত্যাগী নেতাকে রাজনৈতিকভাবে অবহেলিত হতে হয়, তাহলে প্রশ্ন উঠতেই পারে ৩০ বছরের ত্যাগের পুরস্কার কি বহিষ্কার?
তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং বহিষ্কারের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে দলীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।
