মদিনা মার্কেটের মারামারির ঘটনায় তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সজিব

by The Justice Bangla

সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেট নগরের মদিনা মার্কেটে গরুর মাংসের দামকে কেন্দ্র করে আলোচিত মারামারির ঘটনায় মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজ খান সজিব, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য গোলাম রব্বানী ও রাসেল আহমদ খানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মহানগর বিএনপি গঠিত উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে তারা নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন।

রোববার (১৯ জুলাই) সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী এবং সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৯ মার্চ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে মদিনা মার্কেট এলাকায় গরুর মাংসের মূল্য নির্ধারণকে কেন্দ্র করে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি গিয়াস উদ্দিন ও মহানগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরীর মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল আজিজ খান সজিব, গোলাম রব্বানী ও রাসেল আহমদ খানকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে সিলেট মহানগর বিএনপি জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম ইয়াহিয়া চৌধুরী সুহেল এবং মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট বদরুল ইসলাম চৌধুরীকে সদস্য করে দুই সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংঘর্ষের ঘটনায় আজিজ খান সজিব, গোলাম রব্বানী ও রাসেল আহমদ খানের সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে গিয়াস উদ্দিন ও রিপন চৌধুরীর বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে গিয়াস উদ্দিনকে ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতির পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি মহানগর যুবদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রিপন চৌধুরীকে বহিষ্কারের জন্য মহানগর যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

You may also like

Leave a Comment

;