মোঃ এমদাদ হোসেন ভূঁইয়া, সিলেটঃ যেখানে স্বার্থ আর প্রচার সর্বগ্রাসী, ঠিক সেখানে নীরবে-নিভৃতে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার আলোকবর্তিকা হয়ে উঠেছেন সিলেটের সিদ্দিকুর রহমান পাপলু। তিনি শুধু একজন পেশাজীবী নন, বরং সমাজের বঞ্চিত মানুষের নির্ভরতার নাম, এক নিরব মানবতার যোদ্ধা।
জীবনের প্রতিটি ধাপে তিনি প্রমাণ করে চলেছেন সত্যিকারের সেবা শব্দে নয়, কর্মে প্রকাশ পায়।
সমাজসেবায় নীরব বিপ্লব
দুঃস্থ, অসহায়, দরিদ্র কিংবা বিপদগ্রস্ত মানুষ—সবার সাথেই তাঁর নিঃস্বার্থ সম্পর্ক। কারও মুখে হাসি ফোটানো, চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন, বাল্যবিবাহ রোধ, শিক্ষার্থীদের সহায়তা, বিপদে পাশে দাঁড়ানো এসবই তাঁর প্রতিদিনের কাজের অংশ। প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন অন্তর থেকে।
পাপলু বিশ্বাস করেন,
সেবা মানেই ইবাদত। নিজের জন্য নয়, মানুষের জন্য বাঁচাই আসল জীবন।
শিক্ষা ও শৈশবেই সমাজচেতনার বীজ
পরহেজগার ও নৈতিক শিক্ষায় বেড়ে ওঠা পরিবারে জন্ম নেওয়া সিদ্দিকুর রহমান পাপলুর মানবিক গুণাবলি শৈশবেই গড়ে ওঠে। ছাত্রজীবনে নেতৃত্ব, সততা ও জনকল্যাণমুখী মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন বহুবার। তখন থেকেই সমাজ পরিবর্তনের চেতনায় তিনি ছিলেন নিবেদিত।
পেশাগত ব্যস্ততার মাঝেও সামাজিক দায়বদ্ধতা
নিজের পেশাগত দায়িত্বের বাইরেও তিনি সবসময় খোঁজ রাখেন এলাকার মানুষের। সমাজে সবার জন্য সমান সুযোগ তৈরি, মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা, দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ানো—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই তাঁর প্রতিটি উদ্যোগ।
ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল মুখ
নির্বাচনী আসন ৫–এ মানুষের মুখে মুখে উচ্চারিত নাম এখন সিদ্দিকুর রহমান পাপলু। তাঁর বিনয়, সেবা-মানসিকতা এবং মানুষকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে জনপ্রিয় করে তুলেছে সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে।
একজন সম্ভাবনাময়, মানবিক, দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধির প্রতিকৃতি হয়ে উঠছেন তিনি।
সম্মাননা নয়, মানুষের ভালোবাসাই পুরস্কার
তিনি বহুবার সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা পেয়েছেন। তবে তাঁর নিজের ভাষায়
সবচেয়ে বড় পুরস্কার, যখন কেউ বলে— ভাই, আপনি পাশে ছিলেন বলেই আজ আমি বেঁচে আছি।
আজকের সময় যখন মানবতা সংকটাপন্ন, তখন সিদ্দিকুর রহমান পাপলু হয়ে উঠেছেন এক নিঃশব্দ আলোর মশাল। তার মতো মানুষের হাত ধরেই সমাজে ফিরতে পারে সহানুভূতি, ভালোবাসা ও ন্যায়ের প্রতিষ্ঠা।
সিদ্দিকুর রহমান পাপলু— নাম নয়, মানবতার নিরব বিপ্লব।
