জাস্টিস বাংলা ডেস্কঃ জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান বর্তমানে পাকিস্তানের প্রধান সামরিক অস্ত্র হিসেবে স্থান পেয়েছে। পাকিস্তান ইতোমধ্যেই আজারবাইজান ও লিবিয়ার কাছে এই বিমান বিক্রির চুক্তি করেছে।
সম্প্রতি পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর প্রধানদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে জেএফ-১৭ বিক্রির সম্ভাবনা ও বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাকিস্তান আশা করছে, বাংলাদেশসহ আরও বহু দেশে তাদের তৈরি যুদ্ধবিমান বিক্রি করা যাবে। পাকিস্তানের বিমান বাহিনী প্রধান জহির আহমেদ বাবর সিধু এবং বাংলাদেশের বিমান বাহিনী প্রধান হাসান মাহমুদ খান এ বিষয়ে যৌথ আলোচনা করেন।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে পাকিস্তান জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশকে ‘সুপার মুশাক’ প্রশিক্ষণ বিমান দ্রুত সরবরাহ করবে, পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও দীর্ঘমেয়াদী কারিগরি সহায়তা দেওয়ারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক সম্প্রতি জোরদার হয়েছে। ২০২৪ সালের আগস্টে গণআন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অভ্যন্তরীণ অবস্থানকালে ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত হতে শুরু করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকা একটি দল বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, দেশীয় অস্ত্রের চাহিদা এত বৃদ্ধি পেয়েছে যে এর মাধ্যমে পাকিস্তানের অর্থনীতি শক্তিশালী হতে পারে। তার মতে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের বিদেশি ঋণের উপর নির্ভরতা কমে আসতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাকিস্তান-মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে এই বিমান বিক্রির মাধ্যমে দেশের সামরিক ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা দুটোই বৃদ্ধি পাবে।
