মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী কক্সবাজারঃ পর্যটন শহর কক্সবাজার থেকে ৫ টি জেলায় এনসিপির জুলাই পদযাত্রা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রাটি পরবর্তীতে পাবলিক হল মাঠে জনসভায় রুপ নেয়। এতে এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, কে পিআর বুঝে, কে পিআর বুঝে-না এর জন্য সংস্কার আটকে থাকতে পারে না। দেশের মানুষ সংস্কার বুঝে এবং সংস্কার চায়। গণপরিষদের উচ্চ কক্ষ নির্বাচন পিআর পদ্ধতিতে হতে হবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে কক্সবাজারে গডফাদার তৈরী হয়েছিল। বাংলাদেশে নতুন করে আর কোন গডফাদার তৈরী হতে দেয়া হবে না। মাফিয়াতন্ত্র, গডফাদার তন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র ও পরিবারতন্ত্র দেশের মানুষ মেনে নেবে না।
নাহিদ বলেন, জুলাই – আগস্ট বিপ্লবে ওয়াসিমসহ আপনাদের সন্তানরা রক্ত দিয়েছে। শহীদদের রক্তের সিড়ি বেয়ে জুলাই সনদ ও সংস্কার আদায় করে ছাড়বো।
জনসভায় এনসিপির মূখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, একটি নোবেল পুরস্কারের আশায় শেখ হাসিনা লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আশ্রয় দিয়েছে। কক্সবাজারের মানুষকে বাঁচাতে হলে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, একটি দল সংস্কারের বিপক্ষে, নির্বাচনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। রাষ্ট্রের গণতন্ত্র সুসংহত করতে হলে সংস্কারের পরই নির্বাচন দিতে হবে। এজন্য নির্বাচন কমিশন সংস্কার ও পূণর্গঠন করতে হবে। কারণ নিরপেক্ষ রেফারি ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে অনুষ্ঠিত এই পদযাত্রা পরবর্তী জনসভা সঞ্চালনা করেন এনসিপির সদস্য সচিব নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এতে অন্যন্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন, এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম-সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা, যুগ্ন সদস্য সচিব অনিক রায়,কক্সবাজারের সংগঠক রায়হান কাশেম, সাবরিনা রহিমা প্রিয়া, জিনিয়া শারমিন প্রমূখনেতৃবৃন্দ ।
জনসভা শেষে বিশাল গাড়ির বহর নিয়ে জুলাই পদযাত্রাটি পার্বত্য জেলা বান্দরবানের উদ্দেশ্য কক্সবাজার ত্যাগ করেন। পথিমধ্যে ঈদগাও, চকরিয়া, চট্টগ্রামের লোহাগড়া ও সাতকানিয়ার বিভিন্ন পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
