শেরপুর প্রতিনিধি | জাস্টিস বাংলাঃ চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে শেরপুরের ঝিনাইগাতী স্টেডিয়াম মাঠে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণার সময় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর এক সদস্যসহ দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বুধবার বিকেলে ঝিনাইগাতী স্টেডিয়াম মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ইশতেহার ঘোষণাকে কেন্দ্র করে প্রথমে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়, পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।
সংঘর্ষে গুরুতর আহত হন ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি। তাকে তাৎক্ষণিকভাবে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর এক সদস্যসহ বহু নেতাকর্মী রয়েছেন। আহতদের শেরপুর সদর হাসপাতাল ও আশপাশের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গাছে।
এদিকে বিএনপি সূত্র দাবি করেছে, ইশতেহার ঘোষণার সময় জামাতের নেতাকর্মীরা সামনের সব চেয়ার দখল করে ফেলে। বিএনপি ইউএনওকে অনুরোধ করে যাতে জায়গা ভাগ করে দেয়া হয়। ইউএনও অনুরোধ জানায় কিন্তু জামাত মানতে নারাজ। তারা স্লোগান দেয়া শুরু করে, বিএনপিও স্লোগান দেয়। কিন্তু, জামাত স্লোগান দিয়ে হামলা করে।এর পর দুই পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে।
অন্য দিকে জামাতের দাবী শেরপুর ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল নিজে উপস্তিত থেকে শ্রীবরদী,ঝিনাইগাতি এবং শেরপুরের সন্ত্রাসীদের দিয়ে এই হামলা করে বলে অভিযোগ করেন।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রশার্সন জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
