নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি গনমাধ্যম রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান সংস্থাপন কর্মকর্তার কার্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মচারী লুৎফা বেগমের ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি নিয়ে অফিসে যাতায়াত করার সংবাদ প্রচার করেন।
এই সংবাদের ব্যাপারে লুৎফা বেগম বলেন, সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে আমার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে আমি ল্যান্ডক্রুজার গাড়িতে অফিস করি।
এই সংবাদে আমার স্বামী এবং আমার সরকারি গাড়ি ব্যবহার নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছে। আমি মনে করি, এটি একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা, যা আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।
কিছু কুচক্রী মহল মিডিয়াকে ভুয়া তথ্য প্রদান করে আমার সম্মানহানি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে সঠিক তথ্য প্রকাশ করলে কোনো সমস্যা হত না। সংবাদে আমার স্বামীর অফিসিয়াল পিকআপ গাড়ির নম্বর (ঢাকা মেট্রো-ঠ-১১-৩৫৪৪) ব্যবহার করা হয়েছে, এবং নতুন ল্যান্ডক্রুজার গাড়ি ও আমার ছবি এডিট করে প্রকাশ করা হয়েছে।
এর ফলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার মানসিক ও সামাজিক সম্মানহানি ঘটেছে। যদিও যদি সঠিক গাড়ির ছবি প্রকাশ করা হতো, আমার কোনো আপত্তি থাকত না।
আমার স্বামী একজন ফিল্ড অফিসার ১ম শ্রেণীর কর্মকর্তা। তিনি অফিস বা রোড পরিদর্শনকালে মাঝে মাঝে আমাকে আমার কর্মস্থলে পৌঁছে দেন। আমরা সরকারি বরাদ্দকৃত বাসায় স্বামী-স্ত্রীসহ বসবাস করি।
যেহেতু আমরা উভয়ই সরকারি কর্মকর্তা, তাই একে অপরের সহযোগিতার অংশ হিসেবে চলাফেরা করি। সরকারি নীতিমালার সীমার মধ্যে থেকে এটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং কোনো অপরাধমূলক আচরণ নয়।
আমি রেলওয়ের সকল পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জন করেছি এবং অদ্যাবধি দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে চাকুরি করে আসছি। যারা আমার নামে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে, আল্লাহ তাদের ন্যায্য বিচার করবেন।
এই অভিজ্ঞতা আমাকে আরও সতর্ক করেছে এবং আমি বিশ্বাস করি, সত্য ও ন্যায়ের পথে থাকলে মানুষের সম্মান ও সুনাম অক্ষুণ্ণ থাকে।
