বিশেষ প্রতিনিধিঃ সিলেটের মোগলাবাজার থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব করা হয়েছে এক আওয়ামী,ডেভিলকে। তার নাম ছয়েফ উদ্দিন।
উক্ত ছয়েফের বিরুদ্ধ অভিযোগের অন্তঃ নেই। স্বৈরাচার আওয়ামী সরকার আমলে সরকার দল আওয়ামীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, নারী কেলেঙ্কারি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ করতো সে। তার এ দলীয় পদায়নের কারনে সিলেট সিটির ৪১ নং ওয়ার্ডের মানুষজন বিএনপি কে ঘৃণা করতে শুরু করছেন।
পেশায় একজন মোটরসাইকেল ও সিএনজি সিট কভার মিস্ত্রি ছয়েফ কিভাবে বিএনপির অঙ্গ সংগঠন স্বেচ্ছাসবক দলের এই পদ পেল, এ নিয়ে এলাকায় হাস্য রসের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে প্রকাশ উক্ত ছয়েফ উদ্দিন আওয়ামীলীগ সরকার আমলে বিএনপির মানুষ কে মামলা -হামলা দিয়ে নানাভাবে হয়রানী করতো।
তার গড ফাদার ছিলেন আওয়ামীলীগ সন্ত্রাসী পীযুষ বাহিনীর ক্যাডার উকিল মাজেদ। মাজেদ কে কাউন্সিলর নির্বাচনে দাড় করাতে গিয়ে বিএনপির মনজুর আহমদদের সাথে মারামারি করেছে সে। এঘটনায় পুলিশ তাকে ধরে গ্রেফতার করে। এসময় তাকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে আনতে সব আওয়ামীলীগ নেতা থানায় গিয়ে জড়ো হয়েছিলেন,বারবার ফোনও করছেন। কিন্তু পুলিশ তাকে একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে জেল হাজতে পাঠায়।
জেল থেকে জামিন বের হয়ে আওয়ামীলীগ নেতা মাজেদকে দিয়ে বর্তমান ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জমির মিয়াকে নাশকতার মামলায় আসামী করে দৌড়াচ্ছে।
অথচ সেই ছয়েফ এখন বিএনপি রাজনীতির নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় দাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
বর্তমান ছয়েফ বিএনপির হয়ে মামলা বানিজ্যে জড়িয়ে পড়েছে। সিলেট সিটির ৪১ নং ওয়ার্ডে থাকা আওয়ামীলীগ নেতাদের মামলা থেকে রক্ষার নামে তাদের কাছে চাঁদা ও মাসোহারা নিতে শুরু করেছ ছয়েফ। চাঁদার টাকা না দিলে সেচ্ছাসেবক দলের নেতাদের নাম বলে নানা হুমকি ধামকি দিয়ে থাকে।
এভাবে দলীয় চাপ সৃষ্টি করে ছয়েফ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। সে এখনো আওয়ামী লীগ নেতা মাজেদ ও আওয়ামী লীগ নেতা সুজনকে নিয়ে এলাকায় ফিতনা ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে চলেছ। মূলত সে গুপ্ত আওয়ামীলীগ। ফলে এলাকার মানুষজন অতিষ্ট অতিষ্ট হয়ে পড়েছেন।
অতীত ১৭ বছরের আওয়ামী ডেভিল সন্ত্রাসী ছয়েফের বিরুদ্ধে দলীয় ও আইনী ব্যবস্থা না নিলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে এলাকায় বিএনপির ভরাডুবির আশঙ্কা রয়েছ বলে সচেতন মহল মনে করছেন।
