বিশেষ প্রতিনিধি, সিলেটঃ সিলেট সদর উপজেলা যুব দলের যুগ্ম আহ্ববায়ক তারেক আহমদ এর বিরোদ্ধে জায়গা দখলের অভিযোগ উঠলে, অভিযোগের ভিডিও দেখেও সম্পৃক্ততা পায়নি সদর উপজেলা যুব দল।
যুবদল নেতা তারেকের জায়গা দখলের বিষয়টি, মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) শিবের বাজার দিঘীরপাড় গ্রামের বাসিন্দা বুদু উল্ল্যার ছেলে আব্দুল্লাহর করা অভিযোগে সংবাদ মাধ্যমে উঠে আসলে উপজেলায় আলোচনা-সমালোচনার ঝড় শুরু হয়। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকেও বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
বুদু উল্ল্যার দুই ছেলের করা অভিযোগ এবং স্থানীয় এক শালিস ব্যক্তির মাধ্যমে তারেক জায়গা দখল করেন বলে জানা গেলেও সদর উপজেলা যুব দলের আহ্ববায়ক কমিটি, জায়গা দখলের বিষয়টি শুনে বিস্তারিত খবর নিয়ে দখলের সাথে তারেকের সম্পৃক্ততা পায়নি বলে আহ্ববায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্ববায়ক আইনুল হক জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, সিলেট সদর উপজেলার হাটখোলা ইউনিয়ন শিবের বাজার দিঘীরপাড় গ্রামের মবশ্বির আলী ও বুদু উল্ল্যা পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বসতভিটার জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উভয় পক্ষ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে শালিস বৈঠকে বসেন। শালিস কার্যক্রম চলাকালে যুবদল নেতা তারেক আহমদ এবং তার সহযোগী হিসেবে পরিচিত বিএনপি নেতা ফয়জুর রহমানের উপস্থিতিতে মবশ্বির আলী বিরোধপূর্ণ জমিতে দখল নেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে বুদু উল্ল্যার স্ত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় বলেও অভিযোগে উঠে আসে। পরে প্রায় দুই শতক জমির চারপাশে বাঁশের খুঁটি পুঁতে সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
মবশ্বির আলী দাবি করেন, উক্ত জমি তার অংশভুক্ত হওয়ায় তিনি মাপজোক করে সীমানা নির্ধারণ করেছেন। শালিসে জমি তার নামে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কি না—এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি।
যুবদল নেতা তারেক বলেন, জমি নিয়ে স্থানীয়ভাবে শালিস চলছিল, তবে জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তার ভাষ্য, শালিসে জমি মবশ্বির আলীর পক্ষে গেলে তারা কেবল জমি বুঝিয়ে দিতে সেখানে গিয়েছিলেন। অন্যদিকে ফয়জুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
