নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও যান চলাচলে শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ দুটি এলাকা খুলশী রোড ও মনসুরাবাদে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। নিয়মিত তদারকির অংশ হিসেবে পরিচালিত এ অভিযানে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিআরটিএ, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন ভ্রাম্যমান আদালত-১২ এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা মুস্তফা। দীর্ঘ সময়ব্যাপী এই অভিযানে নগরীর ব্যস্ত সড়কগুলোতে যানবাহনের কাগজপত্র, রুট পারমিট ও চলাচলের বৈধতা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হয়।
অভিযান চলাকালে সড়ক পরিবহন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ২টি মামলা দায়ের করা হয় এবং জরিমানা হিসেবে আদায় করা হয় ৩ হাজার টাকা। এছাড়া হিউম্যান হলার ধরনের কয়েকটি যানবাহন নির্ধারিত রুট পারমিটের শর্ত অমান্য করে চলাচল করায় ৭টি যানবাহন ডাম্পিং করা হয়। ডাম্পিংকৃত যানবাহনের মধ্যে রয়েছে— চট্টমেট্রো-ফ-১১-১৬৭৩, চট্টমেট্রো-ফ-১১-২৫৩৬, চট্টমেট্রো-ফ-১১-২৬৭৫, চট্টমেট্রো-ফ-১১-২২৮৩, চট্টমেট্রো-ফ-১১-১৯৯৮, চট্টমেট্রো-ফ-১১-০২৮৬ ও চট্টমেট্রো-ফ-১১-২৬৯০।নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা মুস্তফা বলেন, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ ও শৃঙ্খলাবহির্ভূত যান চলাচল সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ। বিশেষ করে রুট পারমিটের শর্ত ভঙ্গ করে হিউম্যান হলার চলাচল করলে যাত্রী নিরাপত্তা ও যান চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। এ কারণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এসব অনিয়ম বন্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং সাধারণ যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের ভ্রাম্যমান আদালত ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলেও তারা সতর্ক করেন।
