বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দাম ঘটনার সময় দেশের বাইরে চিকিৎসাধীন থাকলেও তাকে একটি ভিত্তিহীন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় এমন অভিযোগ উঠেছে। দীর্ঘদিন কারাবন্দী থাকার পর কয়েক মাস আগে তিনি জামিন পেলেও, তৎকালীন বাগেরহাটের এসপি হাসান চৌধুরীর নির্দেশে জেলগেট থেকেই তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয় বলে পরিবারের দাবি।

আইনগত প্রক্রিয়ায় মুক্তির আদেশ পাওয়া সত্ত্বেও কারাগার থেকে বের হতে না পারায় সাদ্দাম ও তার পরিবার চরম হতাশা ও মানসিক চাপে ভুগছিলেন বলে জানান স্বজনরা। অভিযোগ রয়েছে, এই মানসিক চাপ থেকেই সাদ্দামের স্ত্রী তার ৯ মাসের শিশুসন্তানকে নিয়ে আত্মহত্যা করেন।
আরও অভিযোগ করা হয়, স্ত্রী ও সন্তানের জানাজায় অংশ নিতে এবং কবরে মাটি দিতে সাদ্দামকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত বাগেরহাট থেকে মরদেহ বহনকারী গাড়ি যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পৌঁছালে সেখানে সাদ্দাম তার স্ত্রীকে শেষবারের মতো দেখতে এবং শিশু সন্তানকে জীবনে প্রথম ও শেষবারের মতো স্পর্শ করার সুযোগ পান।
এই ঘটনায় প্রশাসনের একটি অংশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তারা বলছেন, অবৈধ ও পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের কারণে একটি পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
