মোহাম্মদ সাগরঃ আজ ২০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও জনতার নির্ভরতার প্রতীক তারেক রহমানের জন্মদিন। দিনটি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতার জন্মদিন নয়; এটি নতুন বিশ্বাস, নতুন প্রেরণা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের স্বপ্নকে আরও একবার জাগিয়ে তোলার দিন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এমন কিছু নেতার নাম রয়েছে, যাদের উচ্চারণেই মানুষের হৃদয়ে আস্থা ও আশার আলো জ্বলে ওঠে তারেক রহমান সেই বিরল নেতাদের একজন।
দেশমাতৃকার প্রতি গভীর ভালোবাসা, রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং মানুষের প্রতি অটল দায়বদ্ধতা তাঁকে দিয়েছে এক আলাদা পরিচয়। নির্বাসিত জীবন, প্রতিহিংসার রাজনীতি, ষড়যন্ত্র ও অবিচার সবকিছু সত্ত্বেও তিনি গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম থেকে সরে যাননি।
সুদূর প্রবাসে থেকেও তিনি দলকে শক্ত হাতে পরিচালনা করছেন দূরদর্শী নেতৃত্ব, কর্মীদের প্রতি মমতা এবং দেশমাটির প্রতি নিখুঁত দায়িত্ববোধ দিয়ে। তাঁর নেতৃত্বে বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামো যেমন হয়েছে আরও আধুনিক, তেমনি তরুণ সমাজ থেকেও তৈরি হয়েছে নতুন আশা।
তারেক রহমানের রাজনীতি শুরু হয়েছিল পারিবারিক দায়িত্ববোধ থেকে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে তা পরিণত হয়েছে এক মানবিক রাজনৈতিক দর্শনে। তাঁর কাছে রাজনীতি মানে ক্ষমতার আসন নয় মানুষের কল্যাণ। শ্রমজীবী সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তরুণ প্রজন্ম, এমনকি নীরব প্রাণী-পাখির প্রতিও তাঁর ভালোবাসা তাঁকে একজন হৃদয়বান নেতা হিসেবে তুলে ধরেছে।
আজ তাঁর জন্মদিনে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের একটাই প্রার্থনা
এই মহৎ মানুষের জীবন হোক আলোকিত, তাঁর পথচলা হোক বিজয়ের, এবং তাঁর দেশে প্রত্যাবর্তন হোক নতুন আশার সূর্যোদয়।
গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণের এই সময়ে তারেক রহমানের জন্মদিন তাই হয়ে উঠেছে এক বিশ্বাস, সাহস ও স্বপ্নের দিন।
শুভ জন্মদিন জনতার নেতা,
তারেক রহমান।
