নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তাল বঙ্গোপসাগরে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে টেকনাফ উপজেলা প্রশাসন। ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে টেকনাফে চিকিৎসা সহ বিভিন্ন কাজে আসা,ফেরার অপেক্ষায় থাকা অন্তত ৩ শতাধিক মানুষ আটকা পড়ে গেছেন।
বুধবার (২৯ মে) দুপুর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে যাত্রীবাহী ও মাছ ধরার সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ এহসান উদ্দীন জানান, সাগর এখনো উত্তাল রয়েছে এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকসহ অনেক মানুষ আটকে পড়েছেন, তবে আতঙ্কের কিছু নেই যদি কেউ হোটেল বা আত্মীয়-স্বজনের বাসায় নিরাপদে অবস্থান করেন, তাহলে তাদের জন্য ঝুঁকি কম। আর কেউ যদি প্রশাসনের সহায়তা চান, আমরা অবশ্যই যথাযথভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেব।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ, তবে প্রস্তুতির ঘাটতি নেই—এমনটাই জানালেন হ্নীলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. আলী। তিনি বলেন, “আমরা ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে প্রতিটি ওয়ার্ডে সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছি। সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে উৎসাহিত করা হচ্ছে, এবং কোথাও ক্ষয়ক্ষতি, জলাবদ্ধতা বা পাহাড়ধসের মতো ঘটনা ঘটলে যেন দ্রুত ইউনিয়ন পরিষদকে জানানো হয়, সে বিষয়ে সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
